কর, সম্পত্তি ও প্রবাসী সেবাRead the English version

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জমি কেনা বা অন্যান্য কাজে TIN প্রয়োজন? NID বা বাংলাদেশি মোবাইল নম্বর না থাকলে কী করবেন?

প্রবাসী বাংলাদেশির সম্পত্তি ক্রয়ে TIN, PSR, tax residency, NID বা বাংলাদেশি SIM ছাড়া e-Return এবং Source of Fund নিয়ে ব্যবহারিক নির্দেশিকা।

লেখক: স্বদীপ রায় সজীব·১৮–২২ মিনিট·
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জমি কেনায় TIN, PSR, NID ও বাংলাদেশি SIM ছাড়া করণীয়

সংক্ষিপ্ত উত্তর

সংক্ষিপ্ত উত্তর: বাংলাদেশে প্রত্যেক জমি বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের জন্য সবার ক্ষেত্রে শুধু “TIN Certificate” বাধ্যতামূলক—এমন সাধারণ বিধান নেই। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৬৪(৩)(৭) অনুযায়ী নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আসলে প্রয়োজন হয় Proof of Submission of Return (PSR) বা আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ। সাধারণভাবে শর্তগুলো হলো—লেনদেনকারী ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে কর-আইনে নিবাসী (resident), সম্পত্তি সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় অবস্থিত এবং দলিলের মূল্য ১০ লাখ টাকার বেশি।

জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) না থাকলেও NBR-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা ও ছবি ব্যবহার করে একজন বিদেশি বা NID-বিহীন বাংলাদেশি e-TIN নিবন্ধনের প্রক্রিয়ায় যেতে পারেন। তবে e-TIN নিবন্ধন এবং e-Return সিস্টেমে নিবন্ধন এক বিষয় নয়। সাধারণ e-Return নিবন্ধনে নিজের NID-এর বিপরীতে বায়োমেট্রিকভাবে নিবন্ধিত বাংলাদেশি SIM লাগে; বিদেশে থাকা করদাতাদের জন্য NBR নিজস্ব ই-মেইলে OTP-ভিত্তিক বিশেষ সুবিধা চালু করেছে, যার পরিচয় যাচাইয়ে NID-সহ নির্ধারিত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে। NID একেবারেই না থাকলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল/NBR-এর লিখিত নির্দেশনা নিয়ে অনুমোদিত পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

এই নিবন্ধটি আয়কর আইন, ২০২৩ (নতুন ট্যাবে খুলবে), অর্থ আইন, ২০২৬ (নতুন ট্যাবে খুলবে) এবং NBR-এর সর্বশেষ প্রাসঙ্গিক নির্দেশনা পর্যালোচনা করে ২১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ করা হয়েছে।

বিস্তারিত জানতে প্রয়োজনীয় বিষয়ের ওপর ক্লিক করুন

এক নজরে: কোন পরিস্থিতিতে কী হতে পারে?

পরিস্থিতিTIN/PSR-এর সাধারণ অবস্থানকরণীয়
কর-আইনে নিবাসী ব্যক্তি; সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় সম্পত্তি; দলিলমূল্য ১০ লাখ টাকার বেশিধারা ২৬৪(৩)(৭) অনুযায়ী PSR প্রয়োজনTIN নিয়ে সংশ্লিষ্ট করবর্ষের রিটার্ন দাখিল এবং PSR সংগ্রহ করুন
কর-আইনে অনিবাসী ব্যক্তিশুধু ধারা ২৬৪(৩)(৭)-এর এই সম্পত্তি লেনদেনের কারণে PSR বাধ্যতামূলক হওয়ার কথা নয়, কারণ ধারায় “resident” বলা হয়েছেদিন-গণনা ও অন্য কোনো আইনি ভিত্তি প্রযোজ্য কি না যাচাই করুন
নির্ধারিত এলাকার বাইরে জমি/ফ্ল্যাটশুধু ধারা ২৬৪(৩)(৭)-এর অবস্থানগত শর্ত পূরণ হয় নাঅন্য কোনো কারণে TIN/PSR লাগে কি না যাচাই করুন
নির্ধারিত এলাকায় দলিলমূল্য ১০ লাখ টাকা বা কমশুধু ওই ধারার মূল্যসীমার শর্ত পূরণ হয় নাপ্রকৃত ও আইনসম্মত দলিলমূল্য নিশ্চিত করুন; অন্য শর্ত যাচাই করুন
NID নেইNBR FAQ অনুযায়ী পাসপোর্ট-ভিসাভিত্তিক e-TIN-এর পথ আছেসঠিক পাসপোর্ট, ভিসা, ছবি ও পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য দিন
বাংলাদেশি SIM নেই কিন্তু NID আছে এবং বিদেশে অবস্থান করছেনNBR-এর ই-মেইল OTP-ভিত্তিক special registration প্রক্রিয়া প্রযোজ্য হতে পারেনির্ধারিত নথি দিয়ে নিজের ই-মেইল থেকে NBR-এ আবেদন করুন
NID ও বাংলাদেশি SIM—দুটিই নেইTIN-এর পাসপোর্টভিত্তিক পথ আছে; কিন্তু e-Return special registration-এর প্রকাশিত পরিচয় যাচাইয়ে NID চাওয়া হয়েছেসংশ্লিষ্ট কর সার্কেল/NBR-এর লিখিত নির্দেশনা নিয়ে বৈধ রিটার্ন-পদ্ধতি অনুসরণ করুন

গুরুত্বপূর্ণ: ওপরের ছকটি সাধারণ দিকনির্দেশনা। বায়নানামা, আমমোক্তারনামা, উত্তরাধিকার, দান, হেবা, বণ্টন, ডেভেলপারের কাছ থেকে ফ্ল্যাট কেনা, কোম্পানির নামে ক্রয় বা যৌথ মালিকানায় ভিন্ন বিধান ও নথি প্রযোজ্য হতে পারে।

TIN Certificate এবং Proof of Submission of Return (PSR) এক নয়

জনসাধারণের আলোচনায় “জমি কিনতে TIN লাগে” বলা হলেও আইনগতভাবে TIN এবং PSR আলাদা বিষয়।

TIN কী?

TIN বা Taxpayer’s Identification Number হলো করদাতার পরিচিতি নম্বর। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৬১ অনুযায়ী যিনি করদাতা, যাঁর রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক, যাঁকে PSR দিতে হবে, অথবা যিনি স্বেচ্ছায় কর দিতে বা রিটার্ন দাখিল করতে চান—তাঁকে করদাতা হিসেবে নিবন্ধন করে NBR TIN প্রদান করতে পারে।

PSR কী?

ধারা ২৬৪ অনুযায়ী Proof of Submission of Return বলতে সাধারণভাবে বোঝায়:

  • রিটার্নের acknowledgement receipt বা প্রত্যয়ন;
  • করদাতার নাম, TIN ও সংশ্লিষ্ট করবর্ষসহ system-generated certificate; অথবা
  • উপকর কমিশনার কর্তৃক প্রদত্ত নির্ধারিত প্রত্যয়ন।

অর্থাৎ TIN থাকলেই PSR হয়ে যায় না। PSR পেতে সাধারণত সংশ্লিষ্ট করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ থাকতে হয়। তাই সম্পত্তি নিবন্ধনের আগে শুধু TIN Certificate তৈরি করে থেমে গেলে প্রয়োজনীয় কাজ অসম্পূর্ণ থাকতে পারে।

জমি বা ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনে PSR কখন প্রয়োজন?

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৬৪(৩)(৭) (নতুন ট্যাবে খুলবে) অনুসারে নিম্নের বিষয়গুলো একসঙ্গে বিবেচ্য:

  1. সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আয়বর্ষে resident বা নিবাসী কি না;
  2. দলিলটি জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তর, বায়নানামা বা power of attorney-সংক্রান্ত কি না;
  3. সম্পত্তি সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় কি না; এবং
  4. দলিলের মূল্য ১০ লাখ টাকার বেশি কি না।

এই শর্ত পূরণ হলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন বা বিক্রয় প্রক্রিয়ায় PSR দিতে হয়। নিবন্ধন সম্পন্নকারী কর্তৃপক্ষেরও দাখিল করা PSR-এর সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব রয়েছে।

“সকল জমি রেজিস্ট্রেশনে TIN বাধ্যতামূলক”—কথাটি কেন সঠিক নয়?

কারণ চূড়ান্ত আইনে স্থান, মূল্য ও residency-নির্ভর শর্ত রয়েছে। ২০২৬ সালের বাজেট-পর্বে TIN/PSR-এর পরিধি বাড়ানোর বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হলেও চূড়ান্ত অর্থ আইন, ২০২৬-এর সঙ্গে মিলিয়ে বর্তমান বিধান পড়তে হবে। কেবল কোনো প্রস্তাব, সংবাদ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টকে চূড়ান্ত আইন ধরে নেওয়া যাবে না। অর্থ আইন, ২০২৬-এর সরকারি গেজেট (নতুন ট্যাবে খুলবে) পর্যালোচনায় সম্পত্তি-সংক্রান্ত ধারা ২৬৪(৩)(৭)-এর উল্লিখিত মূল শর্তগুলো বহাল রয়েছে।

PSR না লাগলেও অন্য খরচ ও নথি লাগতে পারে

PSR-এর প্রয়োজন না হওয়া মানে এই নয় যে রেজিস্ট্রেশন ফি, স্ট্যাম্প শুল্ক, উৎসে কর, স্থানীয় সরকার কর, VAT বা অন্য দলিলপত্রের প্রয়োজন নেই। TIN/PSR হলো সম্পত্তি লেনদেনের একটি কর-সম্মতি বিষয়; সম্পত্তির মালিকানা ও রেজিস্ট্রেশন যাচাই আলাদা আইনি কাজ।

“প্রবাসী” মানেই কি কর-আইনে “অনিবাসী”?

না। বিদেশে কাজ বা বসবাস করলেই কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আয়কর আইনে non-resident হন না। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২(৪৫) অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি সাধারণভাবে ওই আয়বর্ষে বাংলাদেশে:

  • মোট ১৮৩ দিন বা তার বেশি থাকলে; অথবা
  • মোট ৯০ দিন বা তার বেশি থাকলে এবং তার আগের চার বছরে মোট ৩৬৫ দিন বা তার বেশি বাংলাদেশে থাকলে—

তিনি resident হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। যে ব্যক্তি এই পরীক্ষায় resident নন, তিনি non-resident।

কেন residency নির্ধারণ এত গুরুত্বপূর্ণ?

কারণ:

  • সম্পত্তি-সংক্রান্ত ধারা ২৬৪(৩)(৭)-এ সরাসরি “resident” শব্দটি আছে;
  • resident ও non-resident ব্যক্তির করযোগ্য আয়ের পরিধি আলাদা;
  • রিটার্নে কোন দেশীয়/বিদেশি সম্পদ দেখাতে হবে, তা আলাদা হতে পারে; এবং
  • বিদেশি আয়, remittance ও tax credit-এর ব্যবহারেও অবস্থাভেদে পার্থক্য হয়।

প্রতি আয়বর্ষে residency নতুন করে দিন-গণনা করে নির্ধারণ করতে হয়। পাসপোর্টের entry-exit stamp, immigration record, boarding pass ও ভ্রমণতালিকা সংরক্ষণ করা তাই জরুরি।

NID না থাকলে কীভাবে TIN করবেন?

NBR-এর আয়কর FAQ (নতুন ট্যাবে খুলবে) অনুযায়ী “বিদেশি, বাংলাদেশি without NID” শ্রেণিতে e-TIN-এর জন্য সাধারণভাবে নিচের তথ্য/নথি প্রযোজ্য:

  • বৈধ পাসপোর্ট নম্বর;
  • পাসপোর্ট ইস্যুর তারিখ;
  • ভিসা নম্বর;
  • ভিসা ইস্যুর তারিখ; এবং
  • করদাতার passport-size soft-copy ছবি।

বাস্তব করণীয়

  1. পাসপোর্টে থাকা নাম, জন্মতারিখ ও অন্যান্য পরিচয় হুবহু ব্যবহার করুন।
  2. বর্তমান ভিসা/রেসিডেন্স পারমিট এবং বিদেশের ঠিকানা প্রস্তুত রাখুন।
  3. বাংলাদেশে কর-অধিক্ষেত্র নির্ধারণের জন্য স্থায়ী ঠিকানা, আয়ের উৎস ও সম্পত্তির অবস্থান সঠিকভাবে দিন।
  4. কোনো অসামঞ্জস্য বা অনলাইন বাধা হলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল বা NBR-এর সহায়তা নিন।
  5. TIN পাওয়ার পর করদাতার নাম, পাসপোর্ট নম্বর, ঠিকানা ও jurisdiction পরীক্ষা করুন।

NID না থাকায় নিজের পরিবর্তে আত্মীয়ের NID ব্যবহার করা যাবে না। এতে TIN অন্য ব্যক্তির পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে এবং ভবিষ্যতে সংশোধন, রিটার্ন, সম্পত্তি বা ব্যাংক যাচাইয়ে বড় সমস্যা তৈরি হবে।

বাংলাদেশি মোবাইল নম্বর বা SIM না থাকলে e-Return কীভাবে করবেন?

প্রথমে বুঝতে হবে—TIN তৈরি এবং e-Return account registration আলাদা সিস্টেম।

সাধারণ e-Return নিবন্ধন

NBR-এর FAQ অনুযায়ী সাধারণ e-Return registration-এর জন্য লাগে:

  • TIN; এবং
  • করদাতার নিজের NID ব্যবহার করে বায়োমেট্রিকভাবে নিবন্ধিত বাংলাদেশি SIM-এর মোবাইল নম্বর।

বিদেশে থাকা করদাতাদের জন্য নিজস্ব ই-মেইলে OTP

NBR-এর ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি (নতুন ট্যাবে খুলবে) অনুযায়ী বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতাদের জন্য নিজস্ব ই-মেইলে OTP পাঠিয়ে special registration/email verification-এর ব্যবস্থা চালু হয়েছে। প্রকাশিত নির্দেশনায় নিজের ই-মেইল থেকে ereturn@etaxnbr.gov.bd ঠিকানায় আবেদন করার কথা বলা হয়েছে। পরিচয় যাচাইয়ের জন্য সাধারণভাবে চাওয়া হয়েছে:

  • পাসপোর্টের কপি;
  • NID-এর কপি;
  • ভিসা পৃষ্ঠার কপি;
  • বিদেশের বর্তমান ঠিকানা;
  • বিদেশে ব্যবহৃত নিজস্ব মোবাইল/ফোন নম্বর; এবং
  • সর্বশেষ বাংলাদেশ ত্যাগের তারিখ।

NBR তথ্য যাচাই করে ই-মেইল verified করলে সেই ই-মেইলে প্রাপ্ত OTP দিয়ে registration, password reset এবং e-Return-সংক্রান্ত কাজ করা সম্ভব হতে পারে।

NID একেবারেই না থাকলে কী করবেন?

এখানেই সবচেয়ে বেশি সতর্কতা প্রয়োজন। পাসপোর্টভিত্তিক TIN-এর সরকারি FAQ থাকলেও ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর প্রকাশিত e-Return special registration নির্দেশনায় NID-এর কপি চাওয়া হয়েছে। তাই “NID ছাড়াই ই-মেইল OTP অবশ্যই পাওয়া যাবে”—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া সঠিক হবে না।

এ অবস্থায়:

  1. TIN-এর passport-based registration সম্পন্ন করুন;
  2. নিজের ই-মেইল থেকে NBR-এ বাস্তব পরিস্থিতি জানিয়ে লিখিত নির্দেশনা চান;
  3. সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলের উপকর কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন;
  4. প্রযোজ্য করবর্ষের special order দেখে online filing বাধ্যতামূলক কি না যাচাই করুন; এবং
  5. অনুমোদিত হলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল বা বিদেশে বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে paper return দাখিলের পথ অনুসরণ করুন। NBR-এর FAQ-তেও বিদেশে অবস্থানরত করদাতার বাংলাদেশ দূতাবাসে রিটার্ন দাখিলের সুযোগের উল্লেখ আছে।

e-Return সহায়তার জন্য NBR call centre: ০৯৬৪৩ ৭১৭১৭১ (NBR-এর প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী অফিস সময়ে)।

প্রবাসীদের জন্য TIN, PSR, NID, e-Return ও Source of Fund-এর ভিজ্যুয়াল নির্দেশিকা
TIN, PSR, পরিচয়, e-Return ও অর্থের উৎস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ভিজ্যুয়াল সারসংক্ষেপ
জমি কেনা ছাড়াও কোন কোন কাজে TIN বা PSR লাগতে পারে?

ধারা ২৬৪-এর তালিকা বিস্তৃত এবং অর্থ আইনের মাধ্যমে সময় সময় পরিবর্তিত হয়। সাধারণ উদাহরণ হিসেবে:

  • নির্ধারিত সীমার ঋণের আবেদন;
  • কোম্পানির director বা sponsor shareholder হওয়া;
  • Import Registration Certificate (IRC) বা Export Registration Certificate (ERC) নেওয়া বা বহাল রাখা;
  • সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা এলাকায় trade licence নেওয়া বা নবায়ন;
  • credit card নেওয়া বা বহাল রাখা;
  • নির্দিষ্ট পেশাজীবী সংস্থা বা trade body-এর সদস্যপদ নেওয়া বা বহাল রাখা;
  • নির্ধারিত সীমার term deposit খোলা বা বহাল রাখা;
  • নির্ধারিত সীমার সঞ্চয়পত্র কেনা;
  • নির্দিষ্ট licence, connection, agency, distributorship বা সরকারি অনুমোদন নেওয়া।

এটি পূর্ণ তালিকা নয়। কাজটি করার তারিখে আয়কর আইন, ২০২৩ (নতুন ট্যাবে খুলবে), সর্বশেষ অর্থ আইন, প্রজ্ঞাপন ও NBR নির্দেশনা দেখে নিতে হবে। বিশেষ করে ordinary bank account খোলার জন্য সর্বক্ষেত্রে TIN বাধ্যতামূলক—এমন blanket statement দেওয়া উচিত নয়; ব্যাংকিং পণ্য, পরিমাণ ও গ্রাহকের অবস্থার ওপর বিধান ভিন্ন হতে পারে।

বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থ দিয়ে জমি কিনলে Source of Fund কীভাবে প্রমাণ করবেন?

প্রবাসীদের সম্পত্তি ক্রয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব বিষয়গুলোর একটি হলো Source of Fund বা অর্থের বৈধ উৎস। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ষষ্ঠ তফসিল, অংশ ১, অনুচ্ছেদ ১৭ অনুযায়ী একজন বাংলাদেশি নাগরিকের বিদেশে অর্জিত আয় বৈদেশিক রেমিট্যান্স-সংক্রান্ত প্রচলিত আইন মেনে বাংলাদেশে আনা হলে তা কর অব্যাহতি পেতে পারে।

তবে কর অব্যাহতি মানে তথ্য গোপন করার অনুমতি নয়। সম্পত্তি কেনার অর্থ, ব্যাংক লেনদেন ও রিটার্নের asset statement-এর মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে হবে।

যেসব নথি সংরক্ষণ করবেন

  • বিদেশের employment contract, salary certificate বা payslip;
  • ব্যবসায়ী হলে business registration, financial statement ও আয়-প্রাপ্তির নথি;
  • বিদেশি ব্যাংক statement;
  • SWIFT advice, remittance advice বা transfer confirmation;
  • বাংলাদেশি ব্যাংকের inward remittance certificate/encashment certificate;
  • প্রযোজ্য হলে বিদেশে কর দেওয়ার certificate বা tax return;
  • সম্পত্তির বায়নানামা, sale deed, payment schedule ও money receipt;
  • buyer-এর নিজস্ব বাংলাদেশি ব্যাংক হিসাব থেকে seller/developer-কে দেওয়া payment trail;
  • ঋণ, উপহার বা যৌথ অর্থায়ন হলে সেই সম্পর্ক ও উৎসের পৃথক দলিল।

যেসব কাজ এড়িয়ে চলবেন

  • হুন্ডি বা অননুমোদিত পথে অর্থ পাঠানো;
  • সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য গোপন বা কৃত্রিমভাবে কম দেখানো;
  • অন্যের ব্যাংক হিসাব দিয়ে বড় অঙ্কের payment করে ব্যাখ্যাহীন রাখা;
  • ঘোষিত আয়/সঞ্চয়ের তুলনায় অস্বাভাবিক সম্পদ দেখানো;
  • remittance-কে “করমুক্ত” ধরে রিটার্নে প্রয়োজনীয় disclosure বাদ দেওয়া।
আয়কর রিটার্নে সম্পত্তি ও বিদেশি সম্পদ কীভাবে দেখাবেন?

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৬৭ অনুযায়ী:

  • একজন resident Bangladeshi individual assessee-কে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের বাইরে থাকা সম্পদ ও দায়ের বিবরণ রিটার্নে দিতে হয়; এবং
  • একজন non-resident Bangladeshi individual assessee-কে বাংলাদেশে অবস্থিত সম্পদ ও দায়ের বিবরণ দিতে হয়।

এ ছাড়া মোট সম্পদের পরিমাণ, মোটরযান, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় house property/apartment-এ বিনিয়োগ, বিদেশে সম্পদের মালিকানা বা company directorship-এর মতো বিষয়েও asset statement বাধ্যতামূলক হতে পারে।

সম্পত্তির purchase cost-এর মধ্যে কোন কোন ব্যয় অন্তর্ভুক্ত হবে, কোন বছরে কত payment হয়েছে এবং closing asset কত দেখাতে হবে—এসব দলিল ও payment schedule অনুযায়ী নির্ধারণ করা উচিত। পূর্ববর্তী রিটার্নে দেখানো cash/bank balance থেকে অর্থের ব্যবহারও যৌক্তিকভাবে reconcile করতে হবে।

প্রবাসী ক্রেতার জন্য ধাপে ধাপে নিরাপদ করণীয়

ধাপ ১: আগে tax residency নির্ধারণ করুন

সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে বাংলাদেশে মোট অবস্থানের দিন এবং আগের চার বছরের দিন গুনুন। অনুমানের ভিত্তিতে resident/non-resident লিখবেন না।

ধাপ ২: সম্পত্তির অবস্থান ও দলিলমূল্য যাচাই করুন

সম্পত্তি city corporation, paurashava বা cantonment board এলাকায় কি না এবং আইনসম্মত deed value ১০ লাখ টাকার বেশি কি না যাচাই করুন।

ধাপ ৩: TIN ও PSR-এর প্রকৃত প্রয়োজন নির্ধারণ করুন

শুধু sub-registry office বা মধ্যস্থতাকারীর মৌখিক কথা নয়; প্রযোজ্য ধারা ও দলিলের ধরন দেখে সিদ্ধান্ত নিন।

ধাপ ৪: নিজের পরিচয়ে TIN করুন

NID থাকলে NID-ভিত্তিক এবং NID না থাকলে NBR-এর passport-based প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন। নামের বানান সব নথিতে একই রাখুন।

ধাপ ৫: প্রযোজ্য রিটার্ন দাখিল করুন

নিজের NID-registered SIM থাকলে standard e-Return; বিদেশে থাকলে এবং প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র থাকলে email OTP special registration; অন্যথায় NBR/কর সার্কেলের লিখিত নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমোদিত filing route ব্যবহার করুন।

ধাপ ৬: Source of Fund file তৈরি করুন

বিদেশে আয় থেকে বাংলাদেশে remittance এবং সেখান থেকে seller/developer-কে payment—পুরো banking trail একটি ফাইলে রাখুন।

ধাপ ৭: দলিলের আগে legal due diligence করুন

খতিয়ান, mutation, ভূমি উন্নয়ন কর, দখল, chain of title, mortgage/charge, litigation, power of attorney এবং seller-এর পরিচয় যাচাই করুন। TIN বা PSR থাকলেই সম্পত্তির title নিরাপদ—এমন নয়।

ধাপ ৮: রিটার্ন ও দলিলের তথ্য মিলিয়ে নিন

নাম, TIN, পাসপোর্ট/NID, ঠিকানা, deed value, payment date, bank trail এবং asset statement-এর তথ্যের মধ্যে অমিল যেন না থাকে।

প্রয়োজনীয় নথির Practical Checklist

পরিচয় ও প্রবাস-সংক্রান্ত নথি

  • বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট
  • NID, থাকলে
  • ভিসা/রেসিডেন্স পারমিট
  • বিদেশের বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ
  • entry-exit record ও বাংলাদেশ ত্যাগের সর্বশেষ তারিখ
  • নিজের ই-মেইল ও বিদেশি মোবাইল নম্বর
  • passport-size digital photograph

কর-সংক্রান্ত নথি

  • TIN Certificate
  • সংশ্লিষ্ট করবর্ষের return copy
  • Acknowledgement/PSR
  • tax payment challan, প্রযোজ্য হলে
  • assets and liabilities statement
  • residency computation sheet

অর্থের উৎস ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত নথি

  • বিদেশের আয়ের প্রমাণ
  • foreign and Bangladeshi bank statements
  • remittance/SWIFT/encashment documents
  • baynanama/sale agreement
  • seller/developer payment receipts
  • title documents, khatian, mutation ও land development tax record
  • approved plan ও authority clearance, ফ্ল্যাট হলে
  • power of attorney, প্রতিনিধি দিয়ে কাজ করলে
সাধারণ ভুল এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি

১. TIN-কে PSR ধরে নেওয়া

ফলে রেজিস্ট্রেশনের দিন return acknowledgement না থাকায় কাজ আটকে যেতে পারে।

২. “প্রবাসী” লিখেই non-resident দাবি করা

দিন-গণনা resident দেখালে ভুল tax treatment, incomplete asset disclosure বা পরবর্তী কর-প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

৩. অন্যের NID বা SIM ব্যবহার করা

TIN/e-Return ভুল ব্যক্তির পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে; data correction এবং ownership verification জটিল হবে।

৪. বৈধ remittance-এর নথি না রাখা

অর্থ সত্যিই বিদেশ থেকে এলেও banking proof না থাকলে source ব্যাখ্যা কঠিন হয়ে পড়ে।

৫. দলিল ও রিটার্নে আলাদা মূল্য দেখানো

Payment trail, deed value এবং declared investment-এর অসামঞ্জস্য কর যাচাইয়ের ঝুঁকি বাড়ায়।

৬. TIN নেওয়ার পর রিটার্নের দায়িত্ব ভুলে যাওয়া

ধারা ১৬৬, ধারা ২৬৪ এবং করদাতার নিজস্ব অবস্থার কারণে return filing obligation তৈরি হতে পারে। আবার non-resident individual-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট statutory exception-ও রয়েছে। তাই blanket assumption না করে প্রতি করবর্ষে অবস্থান যাচাই করুন।

Frequently Asked Questions (FAQ)

প্রবাসী বাংলাদেশির জমি কিনতে কি TIN বাধ্যতামূলক?

সব ক্ষেত্রে নয়। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৬৪(৩)(৭)-এর নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে TIN Certificate-এর চেয়ে বেশি—অর্থাৎ Proof of Submission of Return প্রয়োজন হয়।

জমির মূল্য ১০ লাখ টাকার কম হলে কি PSR লাগবে?

শুধু ধারা ২৬৪(৩)(৭)-এর মূল্যসীমার কারণে সাধারণত লাগবে না, কারণ সেখানে deed value ১০ লাখ টাকার বেশি বলা হয়েছে। তবে অন্য কোনো statutory ground থাকলে PSR লাগতে পারে এবং মূল্য অবশ্যই প্রকৃত ও আইনসম্মত হতে হবে।

ইউনিয়ন বা গ্রাম এলাকায় জমি কিনলে কি PSR লাগবে?

ধারা ২৬৪(৩)(৭) সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার কথা বলে। ওই নির্ধারিত এলাকার বাইরে হলে শুধু এই clause-এর location condition পূরণ হয় না; অন্য প্রযোজ্য বিধান আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে।

বিদেশে থাকা প্রত্যেক বাংলাদেশি কি non-resident?

না। সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে বাংলাদেশে অবস্থানের দিন এবং আগের চার বছরের উপস্থিতির ওপর resident status নির্ভর করে।

NID ছাড়া কি TIN করা যায়?

NBR-এর FAQ অনুযায়ী বিদেশি ও NID-বিহীন বাংলাদেশির জন্য পাসপোর্ট নম্বর, issue date, visa details ও ছবি ব্যবহার করে e-TIN প্রক্রিয়ার সুযোগ আছে।

বাংলাদেশি SIM ছাড়া কি e-Return করা যায়?

Standard registration-এ নিজের NID-registered biometric SIM লাগে। বিদেশে অবস্থানরত করদাতাদের জন্য NBR নিজস্ব ই-মেইলে OTP দিয়ে special registration চালু করেছে; পরিচয় যাচাইয়ের জন্য নির্ধারিত নথি দিতে হয়।

NID ও বাংলাদেশি SIM—কোনোটিই না থাকলে কী করব?

Passport-based TIN-এর পথ অনুসরণ করুন। e-Return-এর প্রকাশিত email-verification প্রক্রিয়ায় NID চাওয়া হয়েছে বলে নিজের পরিস্থিতি জানিয়ে NBR/কর সার্কেলের লিখিত নির্দেশনা নিন এবং অনুমোদিত online, paper বা mission-based filing route ব্যবহার করুন।

বিদেশের আয় দিয়ে জমি কিনলে বাংলাদেশে কর দিতে হবে?

বাংলাদেশি নাগরিকের বিদেশে উপার্জিত আয় বৈদেশিক রেমিট্যান্স আইন মেনে বাংলাদেশে আনা হলে তা আয়কর আইনের ষষ্ঠ তফসিল অনুযায়ী অব্যাহতি পেতে পারে। তবে residency, আয়ের প্রকৃতি, remittance channel, return disclosure এবং অন্য দেশের কর—সব তথ্য দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

রেমিট্যান্স করমুক্ত হলে কি রিটার্নে দেখাতে হবে না?

এ ধারণা ঠিক নয়। কর অব্যাহতি ও disclosure আলাদা বিষয়। প্রযোজ্য রিটার্নে আয়, remittance, bank balance এবং acquired property সঠিকভাবে দেখাতে হবে।

TIN থাকলে প্রতি বছর রিটার্ন দিতে হয় কি?

TIN holder-এর return obligation ধারা ১৬৬, ধারা ২৬৪ এবং অন্যান্য প্রযোজ্য বিধানের সঙ্গে মিলিয়ে নির্ধারিত হয়। non-resident individual having no fixed base in Bangladesh-এর জন্য আইনে একটি exception রয়েছে। ব্যক্তির আয়, status ও transaction অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

TIN/PSR থাকলেই কি জমির title নিরাপদ?

না। TIN/PSR কর-সম্মতির নথি; title search, ownership chain, mutation, possession, mortgage, মামলা, authority approval ও seller verification আলাদাভাবে করতে হবে।

আইনগত ভিত্তি ও সরকারি উৎস
  1. আয়কর আইন, ২০২৩—NBR-এর Authentic English Text (নতুন ট্যাবে খুলবে): ধারা ২(৪৫), ২৬, ১৬৬, ১৬৭, ২৬১, ২৬৪ এবং ষষ্ঠ তফসিল, অংশ ১, অনুচ্ছেদ ১৭।
  2. অর্থ আইন, ২০২৬—NBR (নতুন ট্যাবে খুলবে): ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাসঙ্গিক সংশোধন যাচাইয়ের জন্য।
  3. NBR আয়কর FAQ (নতুন ট্যাবে খুলবে): NID-বিহীন বাংলাদেশির passport-based TIN, সাধারণ e-Return registration ও filing support।
  4. প্রবাসী করদাতাদের নিজস্ব ই-মেইলে OTP—NBR প্রেস বিজ্ঞপ্তি, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (নতুন ট্যাবে খুলবে)

রয় ল’ নেক্সাস যেভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহায়তা করতে পারে

প্রবাসী বাংলাদেশির TIN, e-Return, জমি বা ফ্ল্যাট ক্রয়, Source of Fund, power of attorney, title verification এবং সম্পত্তি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে একই সমাধান সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। Roy Law Nexus—Legal & Tax Solutions সমন্বিতভাবে নিচের সহায়তা প্রদান করতে পারে:

  • ভ্রমণ ইতিহাস, tax residency, সম্পত্তির অবস্থান, দলিলমূল্য ও বিদ্যমান কর-নথি পর্যালোচনা করে TIN, রিটার্ন ও PSR-এর প্রয়োজন নির্ধারণ;
  • পাসপোর্ট, NID, ভিসা ও করদাতার নিজস্ব তথ্য ব্যবহার করে আইনসম্মত e-TIN এবং e-Return পদ্ধতি নির্বাচন;
  • বিদেশি আয়, বৈধ remittance, সম্পদ-দায় ও সম্পত্তিতে বিনিয়োগের তথ্য মিলিয়ে রিটার্ন ও PSR প্রস্তুতিতে সহায়তা;
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট, SWIFT/remittance advice, encashment certificate ও payment trail নিয়ে পূর্ণাঙ্গ Source of Fund file প্রস্তুত;
  • দলিল, ownership chain, খতিয়ান, mutation, ভূমি উন্নয়ন কর, দখল, mortgage, মামলা ও authority approval যাচাই;
  • বায়নানামা, দলিল, payment safeguards এবং প্রবাসী ক্রেতার power of attorney খসড়া বা পর্যালোচনা;
  • রেজিস্ট্রেশনের আগে কর ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত নথির অসামঞ্জস্য শনাক্ত এবং লেনদেন সমন্বয়; এবং
  • প্রয়োজন অনুযায়ী কর কর্তৃপক্ষ বা আদালতে আইনগত পরামর্শ ও প্রতিনিধিত্ব।

স্বদীপ রায় সজীব এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সদস্য, ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশন ও ঢাকা ট্যাক্স বার অ্যাসোসিয়েশন মোবাইল: +৮৮০ ১৭১৪-২৯১২৯৪ ই-মেইল: sawdip@gmail.com

প্রবাসী সম্পত্তি বা কর বিষয়ে পরামর্শ করুন →

লেখক পরিচিতি

স্বদীপ রায় সজীব

স্বদীপ রায় সজীব

এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

সদস্য, ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশন ও ঢাকা ট্যাক্স বার অ্যাসোসিয়েশন

+880 1714-291294|sawdip@gmail.com

আইনি ঘোষণা: এই নিবন্ধটি জনসচেতনতা ও সাধারণ তথ্যের জন্য। এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা লেনদেনের জন্য চূড়ান্ত legal opinion বা tax advice নয়। পদক্ষেপ নেওয়ার আগে বর্তমান আইন, অর্থ আইন, NBR-এর আদেশ এবং সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করুন।